বর্তমানে বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রীদের মধ্যে তাঁর নাম উঠে আসে বার বার। সম্প্রতি ‘ককটেল ২’ ছবিতে শাহিদ কপূর ও রশ্মিকা মন্দানার সঙ্গে অভিনয়ের জন্যও প্রশংসা পাচ্ছেন কৃতি সেনন। কিন্তু এই সাফল্যের পথে হাঁটা মোটেই সহজ ছিল না। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া শেষ করে হাতে চাকরির সুযোগ ছিল। তবু নিরাপদ ভবিষ্যতের সেই পথ ছেড়ে দেন। কোনও চলচ্চিত্র-পরিবারের পরিচয় ছিল না তাঁর সঙ্গে। সে সব ছাড়াই মুম্বইয়ে পাড়ি দিয়েছিলেন তিনি। সোমবার তাঁর জন্মদিনে উঠে এল সেই লড়াইয়ের গল্প।
বলিউডে এমন অনেক অভিনেত্রী রয়েছেন, যাঁরা কোনও চলচ্চিত্র-পরিবারের সদস্য নন। নিজের চেষ্টায় তাঁরা জায়গা করে নিয়েছেন। কৃতি তাঁদেরই মধ্যে অন্যতম একজন। বর্তমানে তিনি জাতীয় পুরস্কারজয়ী অভিনেত্রী। কিন্তু কেরিয়ারের শুরুতে তাঁকেও একের পর এক প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়তে হয়েছে। এমনকি, এক বার শুনতে হয়েছিল, তিনি ‘খুব বেশি সুন্দর’ বলেই চরিত্র থেকে বাদ পড়তে হয়েছে।
দিল্লিতে বড় হয়েছেন কৃতি। ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা শেষ করার পরে তাঁর সামনে চাকরির সুযোগও ছিল। কিন্তু অভিনয়ের স্বপ্নকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি মুম্বইয়ে চলে যান। বেশ কিছু বিজ্ঞাপনে কাজ করেছিলেন। ২০১৪ সালে টাইগার শ্রফের বিপরীতে ‘হিরোপন্তি’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন কৃতি। প্রথম ছবিতেই তাঁর অভিনয় ও পর্দায় উপস্থিতি দর্শকের নজর কেড়ে নেয়। এর পর ধীরে ধীরে নিজের জায়গা তৈরি করেন তিনি।
‘বরেলী কি বরফি’, ‘লুকা ছুপী’, ‘হাউসফুল ৪’-সহ একাধিক ছবিতে ভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন কৃতি। একই ধরনের চরিত্রে নিজেকে আটকে না রেখে বারবার নতুন ভাবে নিজেকে তুলে ধরতে চান বলে নিজেই একাধিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।
২০২১ সালে মুক্তি পায় ‘মিমি’। ছবিতে ‘সারোগেট’ মায়ের চরিত্রে কৃতির অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিল। সেই অভিনয়ের জন্যই তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। এই ছবিই তাঁর কেরিয়ারে বড় মোড় এনে দেয় বলে মনে করা হয়। সে কথা নিজেও জানিয়েছেন কৃতি।
তবে এর আগে ২০১৫ সালে শাহরুখ খানের সঙ্গে ‘দিলওয়ালে’ ছবিতেও অভিনয় করেছিলেন তিনি। সেই ছবিটিও তাঁর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কৃতি নিজের সংগ্রামের দিনের কথা ভাগ করেন। তিনি জানান, কাজ না থাকায় অনেক সময় হতাশ হয়ে পড়তেন। এমনও দিন গিয়েছে, যখন কেঁদেও ফেলেছেন। কৃতির কথায়, “অনেকেই বলতেন, আমার মধ্যে নাকি কিছু একটা ঠিক নেই। এক জন তো বলেছিলেন, ‘তুমি খুব বেশি সুন্দর। পর্দায় চরিত্রকে বাস্তব করে তুলতে গেলে কিছু না কিছু অপূর্ণতা থাকা দরকার।’” এই মন্তব্য তাঁকে কষ্ট দিয়েছিল। তবে সেই সময়ে কিছু মানুষের অটুট বিশ্বাসই তাঁকে এগিয়ে যাওয়ার সাহস জুগিয়েছিল। কৃতির কথায়, সেই সমর্থনই তাঁর আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছিল।
অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যবসা এবং ব্র্যান্ড প্রচারের মাধ্যমেও বিপুল সম্পদ তৈরি করেছে কৃতি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি বিপুল সম্পত্তির মালকিন হয়ে ওঠেন। তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৮২ কোটি থেকে ১০০ কোটি টাকা বলে শোনা যায়। একটি ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি ৪ কোটি থেকে ৮ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নেন। বড় বাজেটের ছবির ক্ষেত্রে সেই অঙ্ক আরও বাড়তে পারে। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি ত্বকের পরিচর্যার ব্র্যান্ড ‘হাইফেন’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা। অল্প সময়ের মধ্যেই সংস্থাটি ১০০ কোটির টাকার বেশি আয় করেছে বলে জানা যায়। এ ছাড়া ‘দ্য ট্রাইব’ নামে একটি ফিটনেস ও পুষ্টিবিষয়ক সংস্থারও মালিক কৃতি। একাধিক নামী ব্র্যান্ডের অ্যাম্বাসেডর হিসাবেও কাজ করেন তিনি।
বলিউডে এমন অনেক অভিনেত্রী রয়েছেন, যাঁরা কোনও চলচ্চিত্র-পরিবারের সদস্য নন। নিজের চেষ্টায় তাঁরা জায়গা করে নিয়েছেন। কৃতি তাঁদেরই মধ্যে অন্যতম একজন। বর্তমানে তিনি জাতীয় পুরস্কারজয়ী অভিনেত্রী। কিন্তু কেরিয়ারের শুরুতে তাঁকেও একের পর এক প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়তে হয়েছে। এমনকি, এক বার শুনতে হয়েছিল, তিনি ‘খুব বেশি সুন্দর’ বলেই চরিত্র থেকে বাদ পড়তে হয়েছে।
দিল্লিতে বড় হয়েছেন কৃতি। ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা শেষ করার পরে তাঁর সামনে চাকরির সুযোগও ছিল। কিন্তু অভিনয়ের স্বপ্নকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি মুম্বইয়ে চলে যান। বেশ কিছু বিজ্ঞাপনে কাজ করেছিলেন। ২০১৪ সালে টাইগার শ্রফের বিপরীতে ‘হিরোপন্তি’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন কৃতি। প্রথম ছবিতেই তাঁর অভিনয় ও পর্দায় উপস্থিতি দর্শকের নজর কেড়ে নেয়। এর পর ধীরে ধীরে নিজের জায়গা তৈরি করেন তিনি।
‘বরেলী কি বরফি’, ‘লুকা ছুপী’, ‘হাউসফুল ৪’-সহ একাধিক ছবিতে ভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন কৃতি। একই ধরনের চরিত্রে নিজেকে আটকে না রেখে বারবার নতুন ভাবে নিজেকে তুলে ধরতে চান বলে নিজেই একাধিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।
২০২১ সালে মুক্তি পায় ‘মিমি’। ছবিতে ‘সারোগেট’ মায়ের চরিত্রে কৃতির অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিল। সেই অভিনয়ের জন্যই তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। এই ছবিই তাঁর কেরিয়ারে বড় মোড় এনে দেয় বলে মনে করা হয়। সে কথা নিজেও জানিয়েছেন কৃতি।
তবে এর আগে ২০১৫ সালে শাহরুখ খানের সঙ্গে ‘দিলওয়ালে’ ছবিতেও অভিনয় করেছিলেন তিনি। সেই ছবিটিও তাঁর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কৃতি নিজের সংগ্রামের দিনের কথা ভাগ করেন। তিনি জানান, কাজ না থাকায় অনেক সময় হতাশ হয়ে পড়তেন। এমনও দিন গিয়েছে, যখন কেঁদেও ফেলেছেন। কৃতির কথায়, “অনেকেই বলতেন, আমার মধ্যে নাকি কিছু একটা ঠিক নেই। এক জন তো বলেছিলেন, ‘তুমি খুব বেশি সুন্দর। পর্দায় চরিত্রকে বাস্তব করে তুলতে গেলে কিছু না কিছু অপূর্ণতা থাকা দরকার।’” এই মন্তব্য তাঁকে কষ্ট দিয়েছিল। তবে সেই সময়ে কিছু মানুষের অটুট বিশ্বাসই তাঁকে এগিয়ে যাওয়ার সাহস জুগিয়েছিল। কৃতির কথায়, সেই সমর্থনই তাঁর আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছিল।
অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যবসা এবং ব্র্যান্ড প্রচারের মাধ্যমেও বিপুল সম্পদ তৈরি করেছে কৃতি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি বিপুল সম্পত্তির মালকিন হয়ে ওঠেন। তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৮২ কোটি থেকে ১০০ কোটি টাকা বলে শোনা যায়। একটি ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি ৪ কোটি থেকে ৮ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নেন। বড় বাজেটের ছবির ক্ষেত্রে সেই অঙ্ক আরও বাড়তে পারে। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি ত্বকের পরিচর্যার ব্র্যান্ড ‘হাইফেন’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা। অল্প সময়ের মধ্যেই সংস্থাটি ১০০ কোটির টাকার বেশি আয় করেছে বলে জানা যায়। এ ছাড়া ‘দ্য ট্রাইব’ নামে একটি ফিটনেস ও পুষ্টিবিষয়ক সংস্থারও মালিক কৃতি। একাধিক নামী ব্র্যান্ডের অ্যাম্বাসেডর হিসাবেও কাজ করেন তিনি।
তামান্না হাবিব নিশু